অতিরিক্ত চুল পড়ার কারণ এবং প্রতিরোধে কোন খাবার দরকার?

চুল পড়া যেকোনো বয়সের মানুষের কাছেই অস্বস্তিকর, তবে তরুণদের কাছে এটা এক বিরাট আতংকের নাম। চুল পড়া নিয়ে বেশিরভাগ মানুষই অনেক বেশি চিন্তিত হয়ে পড়েন। রেডিও টেলিভিশন চালু করলেই দেখা যায় বিভিন্ন চুলপড়া রোধী তেল, শ্যাম্পু, কন্ডিশনার ইত্যাদি। কিন্তু চুল রক্ষায় এসব ক্যামিকাল ব্যবহারই কি সমাধান? আসুন জেনে নেই, চুল পড়ার আসল কারণ এবং সমাধানে কি করনীয়।

চুলপড়া অতিরিক্ত পরিমাণে হলে চুলের ঘনত্ব পাতলা হতে থাকে মাথায়। আমাদের প্রতিদিনই কিছু না কিছু চুল পড়ে থাকে, সাধারণত ৫০-১০০ টি চুল প্রতিদিন পড়ে থাকে। কি অবাক লাগছে? এটি চুলপড়ার সাধারণ মাত্রা। কোন কোন ক্ষেত্রে ১৫০ টি পর্যন্ত সাধারণ মাত্রা হিসেবে ধরা হয়। তাই চুল আচড়ানোর সময় বা গোসলের সময় এই পরিমাণে চুল পড়তে থাকলে ভয় পাবার কিছু নেই, এটি একটি সাধারণ মাত্রা। তবে এর চেয়ে বেশি যদি চুল পড়তে থাকে তবে তা নিয়ে সচেতন হওয়া জরুরী। এছাড়া অতিরিক্ত চুল পড়া অপুষ্টি ও বিভিন্ন রোগের লক্ষণ। তাই চুলপড়া রোধ করতে হলে কোন কারণে বেশি চুল পড়ছে তা আগে দেখতে হবে। এক এক জনের চুলপড়ার কারণ এক এক রকম হয়ে থাকে। সাধারণত ছেলেদের চুলপড়ার কারণে মাথা টাক হয়ে যায় আর মেয়েদের চুল একদমই পাতলা হয়ে যায়, যার ফলে তাদের মাথার ত্বক দৃশ্যমান হয়।

চুল পড়ার প্রধান কারণগুলো হলঃ

* ভিটামিন ও মিনারেলস এর অভাবঃ অপুষ্টি বা দেহে বিভিন্ন ভিটামিন ও মিনারেলস এর মূলত চুল পড়ার প্রধান কারণ। খাদ্য গ্রহনের সময় যদি আমাদের শরীরের চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করা না হয়, তবে তা শরীরের ঘাটতি পূরণ করতে পারবেনা, ফলে অন্য সব কিছুর মতো চুলের গোড়াও দুর্বল হয়ে যাবে।

* অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রাঃ অতিরিক্ত ভাজা পোড়া, তেল জাতীয় খাবার, সিগারেট, কোল্ড ড্রিংস, অতিরিক্ত চা-কফি গ্রহণ, অনিয়মিত ও অপর্যাপ্ত ঘুম, কায়িক পরিশ্রম না করা ইত্যাদি এর সাথে চুল পড়ার সম্পর্ক আছে।

* পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাবঃ অপরিচ্ছন্ন মাথার চুলের গোড়ায় সহজেই  জীবাণুর সংক্রমণ হয়, ফলে শুরু হয় অতিরিক্ত চুল পড়া।

* অতিরিক্ত অবসাদ, ক্লান্তি, দুশ্চিন্তা, ডিপ্রেশনঃ  এসব কটি সমস্যাই আমাদের দেহে পরিপাক ও শোষণে বাধা দেয়। তাই শরীরে বিভিন্ন পুষ্টি কনার ঘাটতি তৈরি হয়, ফলে চুল পড়া বেড়ে যায়। * রোগের কারণেঃ বিভিন্ন রোগের কারণে চুল পড়তে পারে, যেমন – টাইফয়েড, ম্যালেরিয়া।

* ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ বিভিন্ন কড়া ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবেও চুল পড়ে।

কেমোথেরাপি দেয়া হলেঃ ক্যান্সারজনিত কারণে চুল পড়ে যেতে পারে। ক্যান্সারের চিকিৎসা হিসেবে ক্যমোথ্যারাপি দেয়া হলে রোগীর চুল পড়ে যায়। এসময় ক্যামোথ্যারাপির তেজস্ক্রিয়তার প্রভাবে চুল পড়ে।

* স্থান পরিবর্তনঃ অনেক সময় বাসস্থান পরিবর্তন করলে সেখানকার আবহাওয়া, পানি, বায়ু ইত্যাদির সাথে শরীর খাপ খাওয়াতে না পারলে চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যায়।

*হরমোন জনিত পরিবর্তনেঃ মেয়েদের হরমোন জনিত পরিবর্তনের কারণে অনেক সময় চুল পড়া বেড়ে যায়। যেমন – গর্ভাবস্থা, মেনোপজ ইত্যাদি সময়ে যখন শরীরে হরমোনের তারতম্য দেখা দেয় তখন চুল পড়া অনেক বেড়ে যায়।

*অতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থ সম্পন্ন প্রসাধনী ব্যবহারঃ  চুলে অতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থ সম্পন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করা, অতিরিক্ত তাপ দিয়ে চুল স্ট্রেট বা কার্ল করা, চুলে রঙ করা।

* যত্ন ও সঠিক পরিচর্যার অভাবঃ চুলের প্রতি প্রয়োজনীয় যত্ন ও সঠিক পরিচর্যার অভাব হলে মাথার ত্বকে খুশকি হয়, এই কারণেও চুল পড়ে।

* বংশগত ভাবে অনেকের চুল পড়তে পারে। দেখা যায় বাবা/চাচাদের টাক মাথার ইতিহাস থাকলে পরবর্তী প্রজন্মেরও বয়স বাড়লে টাক হয়ে থাকে।

বার্ধক্যজনিত কারণেও চুল পড়ে।

অতএব বোঝা যাচ্ছে চুল পড়ার আসল কারণ সমূহ চিহ্নিত করে আগে এগুলোর জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। এই কারণ গুলোর কোন প্রতিকার না করে শুধু চুলপড়া রোধকারী প্রসাধন সামগ্রী ব্যবহার করা হয় তবে চুল পড়া বন্ধ না হয়ে উলটো চুলের আরো ক্ষতিও হতে পারে। চুল যদি ভেতর থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি না পায় তাহলে তা সুস্থ থাকবে কি করে?

চুল পড়া প্রতিরোধে করনীয়ঃ

বেশিরভাগ সময় দেখা যায় অপুষ্টির কারণে চুল পড়া বাড়ে। দরিদ্র পরিবারে পর্যাপ্ত খাবারের অভাব তো আছেই কিন্তু সচ্ছল পরিবার গুলোতেও অপুষ্টি আছে। এখনকার যুগে অনেক যুবক-যুবতীরা নিজেকে স্লিম রাখার জন্য কোন ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ ছাড়াই অনিয়ন্ত্রিতভাবে ডায়েটকন্ট্রোল করা শুরু করেন। যার কারণে তারা প্রায়ই অপুষ্টিতে ভুগে থাকেন। ভিটামিন ও মিনারেলস এর অভাব চুল পড়ার মূল কারণ। সবার চুল পড়া সমস্যার ধরণ এবং কারণ এক নয়, তাই অবস্থা বুঝে ডাক্তার এবং ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নিয়ে এগুলো গ্রহণ করা উচিত।

১. ভিটামিন বি৭ বা বায়োটিন – এটি চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে, চুল পড়া কমায়, চুলের পুরুত্ব বাড়ায় এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। যদি রেগুলার খাবারে ভিটামিন বি৭ এর ঘাটতি হয় তবে চুল পড়া বেড়ে যায়। কারো শরীরে বায়োটিন এর অভাব বুঝা যায় তার চুল পড়ার পরিমাণ দেখে। শরীরে বায়োটিনের অভাব দূর করতে হলে আহারে বায়োটিনযুক্ত খাবার দিতে হবে যেমন – সবুজ শাক, বিভিন্ন ধরণের বীচি জাতীয় খাবার, বিভিন্ন ধরণের ডাল, কলা ইত্যাদি। এগুলো ভিটামিন বি৭ বা বায়োটিনের অন্যতম উৎস।

২. ভিটামিন এ – দেহে ভিটামিন এ এর অভাবে অনেক গুরুতর সমস্যার সৃষ্টি হয়। শরীরে ভিটামিন এ এর অভাব বুঝা যায় যখন চুলের আদ্রতা হারায়, চুল শুকিয়ে প্রাণহীন হয়ে যায়। তাই আহারে ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার যুক্ত করতে হবে। কলিজা, মাছের তেল, ডিম, দুধ, সবুজ শাকসবজি, বিভিন্ন রঙিন ফলমূল ও সবজি যেমন – মিষ্টিকুমড়া, টমেটো, গাজর, মিষ্টি আলু ইত্যাদি খাদ্য হল ভিটামিন এ এর প্রধান উৎস। এইসব খাবারে ভিটামিন এ এর সাথে আছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড ও বিভিন্ন এন্টিঅক্সিডেন্ট যা দেহের জন্য খুবই উপকারী। বিশেষ করে চুল, চোখ ও ত্বকের জন্য।

৩. ভিটামিন ডি – চুলপড়া কমাতে ভিটামিন ডি অনেক গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে মেয়েদের জন্য। গবেষণায় দেখা যায় যে সকল মেয়েদের চুলপড়ার প্রবণতা অনেক বেশি তারা ভিটামিন ডি এর অভাবে ভুগে থাকে। সূর্যরশ্মি আমাদের ত্বকে ভিটামিন ডি উৎপাদনে সাহায্য করে। এছাড়া সামুদ্রিক মাছ, মাছের তেল, ডিমের কুসুম ইত্যাদি ভিটামিন ডি এর ভালো উৎস।

৪. ভিটামিন সি – এটি একটি ভালো মানের এন্টিঅক্সিডেন্ট। অর্থাৎ এটি দেহ কোষে ফ্রি রেডিক্যাল ক্ষতির পরিমাণ সীমিত করে। কোষের জারণের ফলে উৎপন্ন অতিরিক্ত ফ্রি রেডিক্যাল সমূহ দেহের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন কাজে সমস্যা সৃষ্টি করার সাথে আমাদের ত্বক ও চুলের অনেক ক্ষতি করে। একারণে চুলের ফলিকল ক্ষতির সম্মুখীন হয় এবং বয়স বাড়ার সাথে সাথে চুলের ক্ষতি আরো বাড়তে থাকে। ভিটামিন সি এর মতো এন্টিঅক্সিডেন্ট সমূহ এই জারণ এর ক্ষতি কমিয়ে দেয়। ভিটামিন সি অকালে চুল পাকার হাত থেকে রক্ষা করে, চুল পড়া রোধ করে। প্রতিদিনের ব্যালেন্সড ডায়েটে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার রাখতে হবে কারণ ভিটামিন সি আমাদের দেহে সঞ্চিত হিসেবে থাকতে পারে না। পেয়ারা, আমলকী, কমলালেবু, লেবু, জাম্বুরা, কামরাঙা, বিভিন্ন ধরণের বেরি জাতীয় ফল, সীমের বীচির অংকুর ইত্যাদি হল ভিটামিন সি এর সবচেয়ে ভালো উৎস।

৫. ভিটামিন ই – এটি চুলপড়া রোধে একটি অন্যতম ভিটামিন যা একটি ভালো এন্টিঅক্সিডেন্ট ও। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায় যাদের চুলপড়ার সমস্যা অতিরিক্ত তাদের মাথার ত্বকে এন্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ খুব কম এবং চুলের গোড়ায় অক্সিডেটিভ ড্যামেজ বা কোষের জারণের ফলে হওয়া ক্ষতি বেশি দেখা যায়। খাদ্যের সাথে ভিটামিন ই যুক্ত খাবার গ্রহণ করলে এবং চুলপড়া খুব বেশি হলে ভিটামিন ই ক্যাপসুল সাপ্লিমেন্টারী হিসেবে খাওয়া যায়। ভিটামিন ই যুক্ত খাবার হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের বাদাম, বিশেষ করে আমন্ড বা কাঠবাদাম, পুইশাক, পালংশাক, সরিষা শাক, ধনেপাতা, ব্রকোলী, এভোকাডো, বিভিন্ন বাদামের তেল, জলপাইয়ের তেল, পেপে ইত্যাদি। আমাদের দেশে বর্তমানে একটা বিষয় অনেক প্রচলিত আছে, কারো চুল পড়া শুরু হলেই বা চুলের কোন সমস্যা দেখা দিলেই বাজার থেকে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কিনে খাওয়া শুরু করেন। কিন্তু আসলে কি পরিমাণ ভিটামিন ই গ্রহণ করতে হবে সেদিকে কারো খেয়ালই থাকে না। কোন ভিটামিন বা মিনারেল সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের আগে অবশ্যই ডাক্তার বা ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নিতে হবে। ভিটামিন ই ক্যাপসুল খাওয়ার আগে ভিটামিন ই যুক্ত খাবার খেয়ে দেখতে হবে, যদি তাও ভিটামিন ই এর অভাব না কমে তবেই ক্যাপসুল গ্রহণ করা উচিত।

৬. আয়রন বা লৌহ – আয়রনের অভাব বিশ্বের সবপ্রান্তে সবচেয়ে কমন অপুষ্টির কারণ। এটি উন্নয়নশীল ও উন্নত সব দেশের জনগোষ্ঠীর মধ্যেই দেখা যায়। আয়রনের অভাব হওয়ার কারণ অনেক। আয়রন আমাদের রক্তের হিমোগ্লোবিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা ফুসফুস থেকে দেহের বাকি অংশে অক্সিজেন সরবরাহ করে থাকে। গবেষণায় দেখা যায় আয়রনের অভাবে এনিমিয়া হলে চুল পড়া অনেক বেড়ে যায়। আয়রনের অভাবে বেশিরভাগ সময় চুল পড়ে থাকে। আয়রনের ভাল উৎস গুলো হল সীমের বীচি, ডার্ক চকলেট, মসুর ডাল, মাংস, কলিজা, ডিম, বাদাম, শুকনো ফল, ঢেঁকিছাটা লাল চাল ইত্যাদি।

৭. জিংক – জিংকের অভাবেও চুল পড়ে থাকে। মাথায় টাক হওয়ার রোগীদের রক্তে জিংকের অভাব লক্ষ্য করা যায়। সাধারণত টাক মাথার রোগীদের দেহে জিংকের বিপাক ঠিক মত হয়না যার ফলে রক্তে জিংকের পরিমাণ কমে যায়। তাই জিংক যুক্ত খাবার দেওয়ার সাথে সাথে জিংক ঠিকমত বিপাক হওয়ার জন্য চিকিৎসা করতে হবে। জিংকের সবচেয়ে ভালো উৎস হল মটরশুঁটি, রসুন, মিষ্টিকুমড়ার বীচি। এছাড়া মুরগি, গরুর মাংস, গম বা লাল আটা, পালংশাক, বাদাম, ডার্ক চকলেট ইত্যাদি জিংকযুক্ত খাবার।

৮. আয়োডিন – দেহের থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যক্রমে সমস্যা হলে চুল পড়তে পারে। আয়োডিন এই থাইরয়েড হরমোন নিঃসরণে কাজ করে থাকে। ২৮% থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যায় ভোগা মানুষদের চুল পড়া ও টাক মাথার সমস্যা হয়ে থাকে। সঠিক পরিমাণ থাইরয়েড হরমোন নিঃসরণ না হলে চুলের বৃদ্ধি হয় না, যার ফলে চুলের ঘনত্ব পাতলা হতে থাকে। এক্ষেত্রে আয়োডিন গ্রহণের মাত্রা বাড়াতে হবে। আয়োডিন যুক্ত খাদ্য গুলো হল সামুদ্রিক খাবার, ক্রেনবেরি, স্ট্রবেরি, পনির, দই, দুধ, চিংড়ি, বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ, কলা, আনারস ইত্যাদি। আমাদের দৈনন্দিন খাবার রান্নায় আয়োডিন যুক্ত লবণ ব্যবহার করা উচিত, তাহলে এতো বেশি আয়োডিন এর অভাব হবে না।

আমাদের প্রতিদিনের খাবার তালিকাকে একটু ভালো মত তৈরি করে নিলে, তাতে প্রতিদিন প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল যুক্ত খাবার যোগ করলে দেহে এগুলোর অভাব হবেনা। চুল পড়তে দেখলে বাজারে পাওয়া প্রসাধন সামগ্রী ব্যবহার না করে আগে নিজের নিত্যদিনের খাবারের দিকে নজর দেওয়া উচিত। সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে চুলপড়া কমিয়ে আনা যায়। তবে তাই বলে ভিটামিন ও মিনারেলস সাপ্লিমেন্টারী ক্যাপসুল বা ট্যাবলেট প্রথমেই গ্রহণ করা উচিত নয়। ডাক্তার ও ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নিতে হবে, কারণ সকলের দেহের প্রয়োজন এক নয়।

লেখক –আনিকা জাহিন এনি, খাদ্য ও পুষ্টিবিশেষজ্ঞ।

 

Please follow and like us:
20

One thought on “অতিরিক্ত চুল পড়ার কারণ এবং প্রতিরোধে কোন খাবার দরকার?

  • January 18, 2019 at 6:27 pm
    Permalink

    Hi, i think that i saw you visited my weblog so i came to “return the favor”.I’m attempting to find things to enhance my website!I suppose its ok to use a few of your ideas!!

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *