হার্টকে সুস্থ রাখবে যে সব খাবার।

মানবদেহে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এর সমন্বয়ে গঠিত। তার মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হলো হৃদপিণ্ড বা হার্ট।  পেশিবহুল অঙ্গ হার্ট যা শরীরের সমস্ত কোষকে রক্তে সঞ্চাচলনের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজনমত বিপাকীয় পুষ্টি ও অক্সিজেন সরবরাহ করে থাকে।

সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপনের জন্য হার্টকে সুস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি। যদি হার্ট কোনভাবে আক্রান্ত হয়ে যায় তবে হার্ট তার স্বাভাবিক কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ হবে,ফলশ্রুতিতে আমরাও আমাদের জীবনের স্বাভাবিকতা হারাবো। যেহেতু “প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম” তাই আসুন জেনে নিই, হার্ট সুস্থ রাখতে কোন ধরনের খাবার আমরা গ্রহণ করবো।

? হার্টকে সুস্থ রাখতে প্রচুর ফলমূল ও শাকসবজি খেতে হবে। মৌসুমি ফল ও সবজি হলে তো কথাই নেই। ফলমূল ও শাকসবজিতে থাকে প্রচুর পটাসিয়াম যা আমাদের হার্টকে ভালো রাখতে সাহায্য করে।

? শালগম, সয়াবিন, শুকনো শিমের বিচি ও মটরশুঁটি খেতে হবে ।

? দুধ একটি আদর্শ খাবার, ফ্যাটের দোহাই দিয়ে দুধ খাবোনা এমনটি নয়, ননী তোলা দুধ খাওয়া যাবে নিশ্চিন্তে।

? ডিম খেতেও বাঁধা নেই, সেদ্ধ ডিম তেমন ক্ষতি বয়ে আনে না, বরং উপকার’ই করে, তবে হৃদরোগের ঝুঁকি এড়াতে মাঝে মাঝে বর্জন করতে হবে ডিমের কুসুম।

? ভিটামিন সি-যুক্ত খাবার যেমনঃ লেবু, আমলকী, কমলা, পেয়ারা, কাঁচামরিচ ইত্যাদি নিয়মিতভাবে খেতে হবে।

? ভিটামিন ‘এ’ ও ‘কে’ সমৃদ্ধ পুঁইশাক, পালংশাক, লাউশাক খেতে হবে।

? শালগম, সয়াবিন, শুকনো শিমের বিচি ও মটরশুঁটি খেতে হবে।

? দুধ একটি আদর্শ খাবার, ফ্যাটের দোহাই দিয়ে দুধ খাবোনা এমনটি নয়, ননী তোলা দুধ খাওয়া যাবে নিশ্চিন্তে।

? ডিম খেতেও বাঁধা নেই, সেদ্ধ ডিম তেমন ক্ষতি বয়ে আনে না, বরং উপকার’ই করে, তবে হৃদরোগের ঝুঁকি এড়াতে মাঝে মাঝে বর্জন করতে হবে ডিমের কুসুম।

? ভিটামিন সি-যুক্ত খাবার যেমনঃ লেবু, আমলকী, কমলা, পেয়ারা, কাঁচামরিচ ইত্যাদি নিয়মিতভাবে খেতে হবে।

? ভিটামিন ‘এ’ ও ‘কে’ সমৃদ্ধ পুঁইশাক, পালংশাক, লাউশাক খেতে হবে।

? রান্নায় অলিভ ওয়েল ব্যবহার করেও আমরা হৃদরোগ প্রতিরোধ করতে পারি। এটি কোলেস্টেরল, লবণ, চিনি ও ফ্যাটমুক্ত ও স্বাস্থ্যকর স্নেহ সম্পন্ন।

পরিশেষে বলা যায়, টাটকা, স্বাস্থ্যকর, প্রচুর আঁশযুক্ত খাবার, নিম্ন সোডিয়ামযুক্ত, ভিটামিন এ,কে, অ্যান্টি অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ও ফ্যাটমুক্ত খাবার সমূহ গ্রহণেই আমাদের প্রিয় “হৃৎপিন্ডটি” সুস্থ থাকবে।

লেখকঃ লুবনা আক্তার লিমা
খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগ

Please follow and like us:
20

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *